এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহিদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহিদ দিবস উপলক্ষে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে রাত পৌনে ১২টার দিকে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছান রুমিন ফারহানা। এ সময় পুষ্পস্তবক নিয়ে শহিদ বেদীর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন রুমিন ফারহানা ও তার কর্মী-সমর্থকরা। এ সময় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন।
এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে না পেরে কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহিদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।
আরও পড়ুন:
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্সি অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে আমিই সবচেয়ে আগে ফুল দেব। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা গেলো যে বিএনপির কিছু লোক রীতিমতো হামলা চালায় আমার নেতাকর্মীদের ওপর। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়। আমি এটুকুই বলব যে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। বিএনপি যদি তার নেতাকর্মীদেরকে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ না করে এখনই, এর পরিণতি ভয়াবহ রকমের হবে।’
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, ‘আমরা যথাযথভাবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহিদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহিদ মিনারে আসেন। ফুল দেয়া নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে থাকলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।’





