কোটাপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাত এক করে কাজ করছেন মৃৎশিল্পীরা। সংসারের কাজ শেষ করে পরিবারের নারী সদস্যরাও রং-তুলি হাতে নিচ্ছেন। বছরের এই সময়টাই তাদের আয়ের সবচেয়ে বড় মৌসুম বলে জানান তারা।
মৃৎশিল্পী ঝর্ণা পাল বলেন, ‘প্রতিমার কাজ করতে খুব আনন্দ পাই। আজকের মধ্যেই সব প্রতিমা সরবরাহ দিতে হবে, তাই রাতভর কাজ করতে হয়েছে।’
আরেক মৃৎশিল্পী শ্যামসুন্দর পাল জানান, বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখেছেন তিনি। তবে মাটি, খড়, রংসহ উপকরণের দাম বাড়লেও প্রতিমার দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। এতে লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
শিল্পীদের দাবি, উপকরণের দাম সহনীয় করা এবং ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
শরীয়তপুর পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য হেমন্ত দাস জানান, এবার জেলায় পরিবারিক পূজা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লা ও বিভিন্ন ক্লাব মিলিয়ে প্রায় ৬০০টি স্থানে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হবে। মণ্ডপগুলোতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে।
শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উৎসবকে ঘিরে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মাঝেই বইছে আনন্দের স্রোত।





