হোয়াইক্যং পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে এক বাংলাদেশি শিশুর মারা যাবার খবর পাওয়া গেলেও পরে নিশ্চিত করা গেছে শিশুটি মারা যায়নি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম নেয়া হচ্ছে। তবে ঘটনায় আহতদের নাম ও পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
স্থানীয়দের বরাতে খোকন চন্দ্র রুদ্র বলেন, আজ সকালে টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকা সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অভ্যন্তরের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে দু’পক্ষের মধ্যে অন্তত ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি হয়।
আরও পড়ুন :
এক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্তের শূন্যরেখার দিকে পিছু হটে অবস্থান নেয়। এতে সকাল ৯টার দিকে আবারও উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘাতের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের এ উপপরিদর্শক বলেন, ‘ঘটনার খবর শুনে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও এপিবিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। উত্তেজিত স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দেয়ায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’





