ফেনীতে শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব: হাসপাতালে রোগী বেড়েছে তিনগুণের বেশি

শীত জনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন মানুষ
শীত জনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন মানুষ | ছবি: এখন টিভি
0

চলমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে ফেনীতে দিনের অধিকাংশ সময় দেখা মিলছেনা সূর্যের। তাপমাত্রা কমে তীব্র ঠাণ্ডার কারণে বেকায়দায় পড়েছে শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে জ্বর, সর্দি-কাশি, হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা। ২৫০ শয্যার ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে তিনগুণের বেশি রোগী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও ভিড় রয়েছে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে আজ (শনিবার, ৩ জানুয়ারি) ভোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১১ দশমিক ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত তিনদিনও ছিলো একই অবস্থা। স্থানীয়রা বলছেন গত ২০ বছরেও এমন শীত দেখেননি তারা।

ফেনী চাড়িপুর এলাকার ষাটোর্ধ্ব কবির আহম্মদ বলেন, ‘এ বছর যে শীত পড়ছে বিগত ২০ বছরেও এমন শীত পড়েনি। শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হবার সাহসই পাচ্ছেনা।’

আরও পড়ুন:

জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন, ‘ফেনীতে শীতের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। সহসা তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনাও নেই।’

এদিকে ভোর থেকে হালকা কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাহত হয়। বিশেষ করে ভোরে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষজন বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। শীত থেকে বাঁচতে অনেককে গরম পোশাক ও শাল-চাদর জড়িয়ে চলাচল করেন।

অপরদিকে শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. রুবাইয়াৎ বিন করিম। তিনি বলেন, ‘শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ হওয়ার আশংকা থাকে।’ তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আগামী কিছুদিন ঘরের বাইরে না যেতে পরামর্শ দেন সিভিল সার্জন।

ইএ