উত্তর ভারতের বেশ কিছু এলাকায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ
বৃষ্টির কারণে কুয়াশা ও দূষণ কিছুটা কমলেও ভোগান্তি কমেনি উত্তর ভারতের কর্মব্যস্ত মানুষের। সড়কপথে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিলম্বিত হয়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক ট্রেন। হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর ছাড়াও উত্তর ভারতের বেশ কিছু এলাকার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এদিকে, সপ্তাহান্তে পাকিস্তানের গড় তাপমাত্রা দুই থেকে চার ডিগ্রি কমে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। এছাড়া চীনের পরে এবার জাপানেও শুরু হয়েছে তুষারপাত। পিচ্ছিল সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।
চলতি সপ্তাহে সিলেট ও ময়মনসিংহে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির আভাস
৭ থেকে ৮ জানুয়ারি সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগপর্যন্ত আগামী ৩ দিন সারাদেশের শীতের প্রকোপ কিছুটা সহনীয় থাকবে।
হিমেল বাতাসে পৌষের শুরুতেই বাড়ছে তীব্রতা শীতের
হিমেল বাতাসে পৌষের শুরুতেই তীব্রতা বাড়ছে শীতের। ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারপাশ। বেলা বাড়লেও কোথাও কোথাও দেখা মিলছে না সূর্যের।
হিম শীতে বাড়ছে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ
উত্তরের জনপদে জেঁকে বসেছে শীত। দিন দিন নামছে তাপমাত্রার পারদ। হিম শীতে বাড়ছে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ। হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। ঘন কুয়াশায় যান চলাচলেও সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা।
উত্তরবঙ্গে বইছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ
মাঘের শীতে কাঁপছে সারাদেশ। দীর্ঘ সময় ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। দেশের সর্বনিম্ন ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে।
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয় ৮.১ ডিগ্রি
বৈরি আবহাওয়ায় তীব্রশীত ও হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে নওগাঁর জনজীবন। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মাসজুড়েই থাকবে শীতের তীব্রতা
জানুয়ারি মাসজুড়েই শীতের তীব্রতা থাকবে। ১৫ ফেব্রুয়ারির পর দিনের বেলা শীতের তীব্রতা কম যাবে এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে থাকলেই বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
যেসব জেলায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
কুয়াশায় ঢাকা দিল্লি, চীনে রেকর্ড শীত
তুষারে ঢাকা পড়েছে গোটা ইউরোপ
বোরোর বীজতলায় পচন, শীতে মাঠে যেতে পারছেন না কৃষক
শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় বিরূপ প্রভাব পড়েছে বোরো ধান আবাদে। তীব্র ঠাণ্ডায় ফ্যাকাসে ও হলুদাভ হয়েছে বোরোর বীজতলা। মাঠে কাজ করতে পারছেন না কৃষক। এতে বেশ ক্ষতির আশঙ্কা তাদের। পলিথিন মুড়িয়ে বীজতলা পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।