আজ (রোববার, ১৮ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, রাতে খাবার খেয়ে বাপ্পি ও তার বন্ধু ইমন মোটরসাইকেলে অলিনগর যাচ্ছিলেন। এসময় আগে থেকেই আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে ওত পেতে থাকা অভিযুক্তরা তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। এরপর বাপ্পি ও তার বন্ধুকে মোটরসাইকেল থেকে টেনে নামিয়ে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে প্রধান আসামি মো. আরিফ হোসেন বাপ্পিকে লক্ষ্য করে গুলি করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও জানান, ঘটনার এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসামিরা পালিয়ে যান। তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত বাপ্পির সঙ্গে আরিফ হোসেন ও তার সহযোগীদের এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।
এসপি মাসুদ আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা ৬ জনকে আটক করেছি এবং ঘটনা ঘটার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন থেকে শুরু করে হত্যায় জড়িত সবাইকে শনাক্ত করতে পেরেছি। এছাড়া ঘটনার মূল হোতাদের আমরা আইনের আওতায় এনেছি। তাদের আজ আমরা আদালতে পাঠাবো।’
এছাড়া এ ঘটনায় একটি বিদেশি রিভলবার, একটি পিস্তল ও একটি দেশি এলজি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
এর আগে, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের অলিনগর এলাকায় বাপ্পিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।





