ওকিনাওয়া পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মার্কিন সেনার নাম ডেভিন জ্যাকব ব্যালার্ড। তার বিরুদ্ধে ৩৯ বছর বয়সী আনা ইয়াগিকে হত্যা এবং তার মানিব্যাগ ও ব্যাকপ্যাক চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে। শনিবার ওকিনাওয়ার রাজধানী নাহা শহরের একটি হোটেল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ব্যালার্ড ওকিনাওয়ায় মোতায়েন থাকা থার্ড মেরিন এক্সপিডিশনারি ফোর্সের ল্যান্স করপোরাল পদমর্যাদার সেনা সদস্য। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া বার্তায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, জাপান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং তদন্তে সর্বোচ্চ সহযোগিতার দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের চরম নৃশংস ও জঘন্য ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।’ জাপানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জর্জ গ্লাস এবং মার্কিন মেরিন কোর এ ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই কৌশলগত কারণে ওকিনাওয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এবং সেখানে বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার সক্রিয় মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। অতীতেও মার্কিন সেনাদের দ্বারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
ওকিনাওয়ার গভর্নর গেন্তা কোজা বলেন, অতীতে এমন ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে সে বিষয়ে বারবার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও এটি আবার ঘটল। এর থেকে বোঝা যায় মার্কিন সেনাদের মধ্যে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে।





