স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত তাসলিমার পাঁচ মাস আগে বগুড়া জেলায় পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। রোববার স্বামী সামির হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে তাসলিমা তার আট বছর বয়সী ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যান। তার ছোট ভাই পুকুরের পাড়ে বসে ছিলো। এ সময় তাসলিমা ও তার স্বামী গোসল করতে পানিতে নামে। তারা দুজনই সাঁতার জানতো না। গোসল করার একপর্যায়ে তারা পানিতে তলিয়ে যায়।
বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাসলিমার ছোট ভাই চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা ছুটে এসে পুকুরে নেমে তাদের উদ্ধার করেন।
উদ্ধারের পর তাসলিমাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সামির হোসেনকে দ্রুত মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।





