ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথিদের ঠেকাতে এবার বড় ধরনের সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব। আঞ্চলিক ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য দিয়েছে রয়টার্স। এতে বলা হয়, আক্রমণাত্মক এ অভিযানের লক্ষ্যে লোহিত সাগরের নৌপথ সুরক্ষিত করতে উপকূলীয় অভিযান অথবা একাধিক ফ্রন্টে হামলাসহ বিভিন্ন বিকল্পও বিবেচনা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে যাচ্ছে এই অভিযান। আর এটি রিয়াদের তত্ত্বাবধানে থাকা ইয়েমেনি স্থলবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত হবে।
এরইমধ্যে, মিত্রদেশগুলো সরাসরি এসব অভিযানে অংশ না নিলেও ইয়েমেনে সৌদির অভিযানকে সফল করতে প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি দেশটিকে প্রতিরক্ষামূলক সামরিক সহায়তা দিচ্ছে কিছু আঞ্চলিক ও ইউরোপীয় দেশও। এরইমধ্যে মিডলইস্ট আই জানিয়েছে, গেলো মাসে ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত সরকারের কাছে চারটি কার্গো বিমানে অস্ত্র পাঠিয়েছে পাকিস্তান।
আরও পড়ুন:
রয়টার্স আরও বলছে, রিয়াদ এই হামলার জন্য দু’টি সম্ভাব্য বিকল্প বিবেচনা করছে। এর একটি হলো বাব আল-মানদেবের আশেপাশের এলাকায় হামলা অথবা আরেকটি বৃহত্তর অভিযান অর্থাৎ ইয়েমেনের চারপাশে আল-বায়দা, মারিব, তাইজ এবং আল-জাওফ গভর্নরেটসহ একাধিক ফ্রন্টে অন্যান্য সমন্বিত হামলাও চালানো হতে পারে। এতে এক লাখেরও বেশি ইয়েমেনি সৈন্য মোতায়েন করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্মকর্তারা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইয়েমেন ও সৌদি সরকার।
এদিকে সৌদি আরবের এই পরিকল্পনার মধ্যেই ক্রমেই তীব্রতর হচ্ছে ইয়েমেন সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যকার লড়াই। এরইমধ্যে একদিনেই হুথিদের লক্ষ্য করে ৪৭৪টি হামলা চালিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। এতে হতাহত হয়েছেন দেড় হাজারেরও বেশি হুথি সদস্য। অন্যদিকে দক্ষিণ সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে ছোড়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।





