আজ (মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
জাবেদের বাবার নাম সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি রাজধানীর বনানী এলাকার ১৩ নম্বর রোডের ১২২ নম্বর বাসার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। বর্তমানে তিনি ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘আই’ ব্লকের ১ নম্বর রোডে একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ধানমন্ডি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গফুর। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের লেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে নিহতের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইলফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
আরও পড়ুন:
নিহতের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, জাবেদ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বেকার ছিলেন এবং বেশ কিছুদিন ধরে চরম আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। এছাড়া গত ৪-৫ মাস ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত ছিলেন।
নিহতের বাল্যবন্ধুরা জানান, জাবেদ মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত ছিলেন বলে তারা জানতেন, তবে তিনি কেন এমন চরম পথ বেছে নিলেন তা তাদের জানা নেই।
এসআই আব্দুল গফুর বলেন, ‘উদ্ধারকালে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।’




