ময়মনসিংহে এলপি গ্যাস সংকট; নির্ধারিত মূল্যেও মিলছে না সিলিন্ডার

0

গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ও সাপ্লাই নিয়ে বারবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এসবের প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার সারা দেশে সব দোকান বন্ধ থাকবে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের এমন ঘোষণার পর সারা দেশেই উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় সাধারণ ভোক্তারা। এদিকে, সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস না পাওয়ায় গ্যাস কিনতে হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়।

ময়মনসিংহের ত্রিশালের যুবক আব্দুলাহ, গেলো কয়েক বছর ধরে জীবিকার তাগিদে রিকশা চালান ময়মনসিংহ শহরে, স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভারা থাকেন নগরীর আকুয়া এলকায়৷রান্নার গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ায় আজ রিকশার পেছনে বেধে পুরনো সিলিন্ডার রেখে নতুন সিলিন্ডার কিনতে এসেছেন তিনি।

আগে এক সিলিন্ডারে রান্নার গ্যাসের চাহিদা পূরণ হলেও এখন লাগছে দুটি। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস না পাওয়ায় গ্যাস কিনতে হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়।

এদিকে বৃহস্পতি-শুক্রবার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণায় বেশ বিপাকে সাধারণ মানুষ। নিম্নআয়ের মানুষেরা, কেননা খুচরা পর্যায়ে সব দোকানে মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার।

রিকশা চালক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সারা দিনে রিকশা চালায় পাঁচশো টাকা জমা দিয়ে। ৪-৫০০ কামাই হয়, এ টাকার মধ্যে এখন আবার বাড়তি টাকা দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।’

এর আগে, গত ৪ অক্টোবর দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়। সরকার নির্ধারিত এই দামে ময়মনসিংহের কোথাও মিলছে না গ্যাস। ২ হাজার থেকে ২২০০ কিংবা কখনো ২৩০০ টাকা দিলে পাওয়া যায় ১২ কেজির সিলিন্ডার।

এদিকে ডিলার এবং খুচরা পর্যায়ে এলপিজি স্টক করে রাখায় অভিযোগ উঠছে ক্রেতাদের কাছ থেকে। নগরীর সানকিপাড়া,জুবিলিঘাট,কাচিঝুলি,আকুয়া,চড়পাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে চাহিদা অনুযায়ী মিলছে না সংকট। তাই বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকি বাড়ানোর তাগিদ ভোক্তাদের।

এফএস