ইয়েমেন সরকার ও সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট মখায় হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জবাবে মারিব অঞ্চলে সৌদি জোটের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে হুথিরা। হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি যুদ্ধবিমান তাইজ, মারিব ও হুদায়দাহ প্রদেশে অন্তত ৪০টি বিমান হামলা চালিয়েছে। এর পাল্টা জবাবে তারা সৌদির খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটি এবং ইয়ানবু সমুদ্রবন্দরের একটি তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
টানা সংঘর্ষ ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার কারণে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাটতিতে পড়েছে সৌদি আরব। বার্তা সংস্থা এপি জানায়, হুথি হামলা থেকে রক্ষা পেতে ফ্রান্স, পাকিস্তান, মিসর ও যুক্তরাজ্যের কাছে জরুরি ভিত্তিতে বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চেয়েছে রিয়াদ। তবে সৌদির প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে অনেকটাই কমে এসেছে।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের ক্ষমতাসীন সরকারকে কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে গেলেও ওমানের রাজধানী মাসকাটে মার্কিন কর্মকর্তারা হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে গোপনে আলোচনা করেছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান সরকারের মধ্যস্থতায় মাসকাটে মার্কিন দূতাবাসে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হুথিরা আশ্বাস দিয়েছে, তারা মার্কিন জাহাজে কোনো হামলা চালাবে না এবং ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলবে।
ইয়েমেনে নিয়োজিত মার্কিন প্রতিনিধি নীল হপ জানিয়েছেন, ইরান সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেন সরকার ও তার জনগণের পাশে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্টকমের মুখপাত্র টিম হকিন্স জানান, ইয়েমেনের পরিস্থিতির ওপর তারা কড়া নজর রাখছেন।





