পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একদন্ত হাট থেকে বাজার নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন আদম আলী। পথে দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এসময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করে। আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, নিহত আদম আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া তার নামে একটি বিস্ফোরক মামলা রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলাসূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর কিশোরী তমা খাতুনকে বাড়ি থেকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন আদম আলী। পরদিন ২৪ ডিসেম্বর আটঘরিয়ার ষাটগাছা গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে তমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদম আলীকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তখন দাবি করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে তমাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছিলেন তিনি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এতে আদম আলীকে প্রধান আসামি করা হয়। প্রায় এক বছর কারাগারে থাকার পর সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরেছিলেন আদম আলী।




