প্রথম দুই ম্যাচে হেরে আগেই আসিয়ান কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে লাড়াই করে টুর্নামেন্ট শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও জাকার্তায় শুরু থেকেই তোপের মুখে পড়ে লাল-সবুজের দল।
ম্যাচের ১১ মিনিটেই স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন মিচেল বেকার। বাংলাদেশের ভঙ্গুর রক্ষণভাগকে তছনছ করে ২০ মিনিটে আবারও বেকারের গোল। ৩১ মিনিটে রিজকি রিদোর গোল বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকেই ফেলে।
৩৬ মিনিটে কিছুটা আশার আলো দেখে বাংলাদেশ। সুকি ইতোফুসার চমৎকার কাটব্যাক থেকে দারুণ হেডে ব্যবধান কমান শাহরিয়ার ইমন। যেটি ছিল আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম গোল।
আরও পড়ুন:
তবে উদযাপনের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র এক মিনিট। ৩৭ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বেকার, আর ৪২ মিনিটে করেন ব্যক্তিগত চতুর্থ গোল। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে জাস্টিন হাবনারের হেডে ৬-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইন্দোনেশিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে সোহেল রানা ও ফারহান আলীদের নামিয়ে রক্ষণে কিছুটা মনোযোগ দেয় থমাস ডুলি। তবে ম্যাচের শেষ দিকে আর গোল লাইন আগলে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ৯০ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ৭-১ করেন ভিকেরি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রাকিবের পাস থেকে ফারহান আলী বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করলেও, শেষ মুহূর্তে কেভিন ডিকস ও মিচেল বেকারের আরও দু’টি গোলে ৯-২ ব্যবধানের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শেষ দিকে মাঠের ভেতর ফুটবলারদের হাতা-হাতি ও উত্তেজনা ছড়ায়। শেষ বাঁশি বাজার পর অধিনায়ক হামজা চৌধুরীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া আর হতাশার মধ্য দিয়েই আসিয়ান কাপের দুঃস্বপ্নঘেরা অধ্যায় শেষ হয় বাংলাদেশের।





