পুলিশ জানায়, কে বা কারা মরদেহটি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বনানী থানার ওসি মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। অন্য কোথাও হত্যার পর পরিচয় গোপন ও আলামত নষ্টের উদ্দেশে মরদেহটি এখানে ফেলে যেতে পারে।’
আরও পড়ুন:
তবে হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ ও স্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।
এখনও মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানায় পুলিশ।





