যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যেই শক্তিশালী হচ্ছে মক্কা প্রতিরক্ষা জোট

মক্কা প্রতিরক্ষা জোট
মক্কা প্রতিরক্ষা জোট | ছবি: সংগৃহীত
0

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের মধ্যেই এবার স্থায়ী নিরাপত্তা কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি। এমনকি, এ চুক্তির বিষয়বস্তু এবং পরবর্তীতে কারা যোগ দিতে পারে তাও খতিয়ে দেখছে জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। গতকাল (সোমবার, ৩১ আগস্ট) ইস্তাম্বুলে জোটের প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে একমত হয়েছের এ তিনদেশের প্রতিনিধিরা। তবে, প্রশ্ন থেকেই যায় তাদের এ প্রতিরক্ষা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে সোমবার ইস্তাম্বুলে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সৌদি আরবে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের জন্য একটি স্থায়ী সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে সম্মত হন। এর মধ্য দিয়ে স্থায়ী নিরাপত্তা কাঠামোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে ত্রিদেশীয় এ প্রতিরক্ষা জোট।

এ বিষয়ে আঙ্কারা আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য একজন পাকিস্তানি মহাসচিব জোটের প্রধান হিসেবে থাকবেন। পাশাপাশি ত্রিমুখী নিরাপত্তা চুক্তিতে অন্যান্য দেশগুলোর যোগদানের জন্য তারা একটি রূপরেখাও প্রস্তুত করছেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ‘অন্যান্য দেশের পক্ষে জোটে যোগদান সম্ভব। স্বাভাবিকভাবেই, এর শর্তাবলী, পদ্ধতি এবং মানদণ্ড নিয়ে জোটে যোগদানে ইচ্ছুক দেশ এবং জোটের অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র উভয়ের সাথেই আলোচনা প্রয়োজন। যোগদান প্রক্রিয়া সংক্রান্ত একটি রূপরেখার তৈরিতেও কাজ করা হচ্ছে।’

সোমবার অনুষ্ঠিত বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো পারস্পরিক নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিনটি দেশ। গত ৭ আগস্ট মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে গঠিত সেই রাজনৈতিক ঘোষণাকে কার্যকর রূপ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে এ বৈঠকের মধ্য দিয়ে। তবে এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আসলে কীভাবে কাজ করবে, এমনকি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ধারাটি কখন প্রয়োগ করা হবে, সে বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট।

জেআর