সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিয়ত বিরোধীদলকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে সংসদে বক্তব্য দেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকতা করতে হলে একটা বিশ্ববিদ্যালয় খুলে লেকচার দিতে পারেন।’
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্ন বুঝতে পারেননি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।’
এতেই সংসদে হট্টগোল শুরু হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয় বিরোধীদলের পক্ষ থেকে।
এর পরে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বক্তব্যে যদি এভাবে কমেন্টস করা হয়, তবে আমার বক্তব্য দেয়ার দরকার নাই। নতুন করে এই শব্দগুলো উচ্চারণ শুরু করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) নিজেকে কী মনে করেন। তিনি শুরু থেকেই সংসদে দুঃশাসন দেখিয়েছেন। তিনি শুরু থেকেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দেন। আমরা তার ছাত্র হিসেবে এখানে আসি নাই। উনি শিক্ষক হলে তিনি ইউনিভার্সিটি খুলুন, সেখানে উনি বক্তব্য দিতে পারবেন। এটা ফ্যাসিবাদের সংস্কৃতি। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি উনাকে দুঃখপ্রকাশ করতে হবে।’
এদিকে সংসদে আজকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আজকের ঘটনায় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চিন্তিত।
স্পিকার বলেন, ‘অনেক কষ্টের পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি বহাল রাখা সব সংসদ সদস্যের কর্তব্য। এভাবে চলতে থাকলে সংসদ বেশিদিন চলবে না।’





