অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে কৃষির বীজ লাগবে সেখানে বীজ দেয়া হবে। আর যেখানে ওষুধ লাগবে, সেখানে দেয়া হবে ওষুধ।’
পতেঙ্গার মাইজপাড়ায় মাহমুদুন্নবী কমিউনিটি সেন্টার এবং পরে খালপাড় এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের হাতে ত্রাণ তুলে দেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামে প্রায় ৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জরুরি মানবিক সহায়তা হিসেবে এরই মধ্যে ৪০ হাজার মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার এবং ৭৫ হাজার মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘ত্রাণ ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামতের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হবে।’
পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ শেষে চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতে দিনভর ত্রাণ বিতরণের কথা রয়েছে মন্ত্রীর।




