টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণ আর বন্যার ধাক্কায় স্থবির চট্টগ্রামের ভোগ্য পণ্যের বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ। আশপাশের বন্যা কবলিত জেলা এবং উপজেলা থেকে খুচরা-পাইকার ও ট্রাক সময়মত আসতে না পারায় বেচা বিক্রি কমেছে বলছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ৫ থেকে ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন হতো, ক্রেতা সংকটে তা এখন নেমেছে অর্ধেকে। তবে এবারের বৃষ্টিতে খাতুনগঞ্জে পানি না ওঠায় কোনো পণ্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
বাজারে পণ্যের মজুদ পর্যাপ্ত হলেও, যাতায়াত সমস্যার অজুহাতে দুই দিনের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। এছাড়া ডাল ও শুকনো খাবারের দামও কিছুটা বেড়েছে। অবশ্য ব্যবসায়ীদের দাবি, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি সচল হলে এই বাড়তি দাম দ্রুতই কমে আসবে।
আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে তাদের ব্যবসা বাণিজ্যে। ৪ থেকে ৫দিন কিছুই বিক্রি করতে পারেননি তারা। পণ্যবাহী ট্রাক সময়মতো না পৌঁছানোর কারণে কিছু পণ্যর দাম ৫ থেকে ৭টাকা বাড়তি রাখা হচ্ছে।
পেঁয়াজ-রসুন ও ডাল জাতীয় পণ্যের দাম কিছুটা বাড়লেও পুরোপুরি স্থিতিশীল রয়েছে মসলার বাজার। সরবরাহও পর্যাপ্ত রয়েছে বলছেন ব্যবসায়ীরা
চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এহসান উল্ল্যাহ জাহেদী বলেন, ‘চট্টগ্রামের আশেপাশে যে উপজেলাগুলো আছে ১৬টির মধ্যে প্রতিটিতেই কম বেশি পানি ছিলো। এর কারণে ট্রান্সপোর্ট আমাদের খাতুনগঞ্জে আসতে পারেনি। এ কারণেই ব্যবসায় ধস নেমেছে।’
গত দুইদিন ধরে বৃষ্টি না থাকায় এবং বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আগামী দুই একদিনের মধ্যে বেচা-বিক্রি পুরোদমে শুরু হবে, স্বাভাবিক চিত্রে ফিরবে খাতুনগঞ্জ এমনটাই আশা ব্যবসায়ীদের।




