গতকাল (শুক্রবার, ১০ জুলাই) দুপুরে ওই শিশুকে প্রথমে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে বৈদ্যনাথ প্রতিবেশীর ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশুকে খাবার দেয়ার কথা বলে কাছে ডাকে। শিশুটি তার বাড়িতে গেলে তাকে ধর্ষণ করে বৈদ্যনাথ। পরে শিশুটিকে দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে ঢুকিয়ে রাখা হয়। এমনকি তিনি শিশুকে গলায় ছুরি ধরে ঘটনাটি প্রকাশ করলে হত্যার হুমকিও দেন। এক পর্যায়ে বৈদ্যনাথ সরে গেলে প্রতিবেশী দুই শিশুর সহযোগিতায় বের হয়ে বাড়ি যায় শিশুটি।
আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে ওই শিশুকেও হুমকি দেন তিনি। তাই বিষয়টি কাউকে জানায়নি তারা। শুক্রবার (১০ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুটির অস্বাভাবিক চলাফেলায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে ঘটনা খুলে বলে। এরপর হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি থানায় মামলা করে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার। রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুল হক সৌরভ বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে ওই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার সোয়াব সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি ভালো আছে।’
দেবীগঞ্জ থানার ওসি মুসা মিয়া বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরেই আমরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী এলাকা থেকে আসামীকে গ্রেপ্তার করেছি। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’





