অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

ম্যাচ শেষে মেসিসহ আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস
ম্যাচ শেষে মেসিসহ আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস | ছবি: সংগৃহীত
0

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শুরুতে মেসির পেনাল্টি মিস ও দ্বিতীয়ার্ধে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও এনজো ফার্নান্দেজের গোলে শেষ হাসি হাসলো আলবিসেলেস্তেরা।

এ যেন ধ্রুপদী আর্জেন্টিনা। রূপকথার কল্পোলোকে আবার আলোর মশাল নিয়ে হাজির দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি।

শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। দুই দলই একে অন্যের জালে বল পাঠিয়ে লড়াইকে নিয়ে যায় রুদ্ধশ্বাস পরিণতির দিকে। প্রথমে মেসির পেনাল্টি মিস এরপর মিশরের দুই গোল। নির্ধারিত সময় শেষে যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে, তখনই ইনজুরি টাইমে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। এনজো ফার্নান্দেজের শটেই উল্লাসে ফেটে পড়ে আকাশী-সাদা শিবির।

জয়ের রাতটা শুধু এনজোর নয়, লিওনেল মেসিরও। এ বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে আটে। এর মধ্য দিয়ে ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপে গুইলার্মো স্তাবিলের পর এক আসরে আর্জেন্টিনার হয়ে আট গোল করার কীর্তি গড়লেন ফুটবলের এ মহাতারকা।

শুধু গোল নয়, ইতিহাস লিখেছেন অ্যাসিস্টেও। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে অন্তত একটি করে অ্যাসিস্ট করার অনন্য নজির গড়েছেন মেসি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের তালিকায় ছাড়িয়ে গেছেন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকেও।

মিশরের বিপক্ষে এই জয় আর্জেন্টিনার আরেকটি দারুণ পরিসংখ্যানও সামনে এনেছে। আফ্রিকান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা ৯ বিশ্বকাপ ম্যাচে অপরাজিত আলবিসেলেস্তে।

ইনজুরি টাইমের নাটকীয় জয়, এনজোর নায়কোচিত গোল আর মেসির একের পর এক ইতিহাস সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

এএইচ