আজ (মঙ্গলবার, ৩০ জুন) ভোরে মাছ ধরার জালে সাপটি ধরা পড়লে সেটিকে না মেরে নিরাপদে সংরক্ষণ করে স্থানীয় খেয়াঘাটে নিয়ে আসেন সুজন নামের এক জেলে। পরে খবর পেয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার জেলে সুজন সোমবার (২৯ জুন) রাতে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল পেতে রাখেন। মঙ্গলবার ভোরে জাল তুলতে গিয়ে তিনি একটি জীবিত রাসেল ভাইপার দেখতে পান। পরে সাপটিকে না মেরে একটি নেটের মধ্যে নিরাপদে রেখে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে নিয়ে আসেন।
জেলে সুজন বলেন, ‘সাপটি না মেরে ধরে এনেছি। যদি এটি দেশের কোনো গবেষণার কাজে লাগে, সেই চিন্তা থেকেই সংরক্ষণ করেছি।’
আরও পড়ুন:
ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ খেয়াঘাটে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন।
পদ্মাপাড়ের বাসিন্দা আবিদ হাসান জানান, প্রায় ২ বছর আগে এই অঞ্চলে একাধিকবার রাসেল ভাইপার ধরা পড়েছিলো। সেই সময় জেলেদের জালসহ বিভিন্ন স্থানে সাপটির দেখা মিলেছিলো এবং সাপের কামড়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। দীর্ঘদিন পর আবার জীবিত রাসেল ভাইপার উদ্ধার হওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
হরিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘স্নেক রেসকিউ টিমের সহযোগিতায় সাপটি নিয়ে আসা হয়। জীবিত উদ্ধার হওয়ায় সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





