আয়োজনে শতভাগ সফল, এবার নকআউটে ইতিহাস গড়ার পথে কানাডা

কানাডার একটি শহর
কানাডার একটি শহর | ছবি : সংগৃহীত
0

ফুটবল ইতিহাসে নতুন মাইলফলকের পথে কানাডা। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টি টুতে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হচ্ছে দ্য রেডস। এরই মধ্যে আয়োজন দেশ হিসেবেও শতভাগ সফল অটোয়া। কুড়াচ্ছে প্রশংসা।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার কানাডার গল্পটা শুধু অংশগ্রহণের নয় বরং এগিয়ে যাওয়ার। ইতিহাস গড়ার! প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড কাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করে টিম কানাক্স। নিজেদের গড়ে তুলছে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে।

গ্রুপ পর্বে কানাডার পারফরম্যান্স ছিলো ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত। ম্যাচে বল দখল ধরে রাখা, দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক এবং ডিফেন্সিভ শৃঙ্খলা- তিন দিকেই দেখিয়েছে নান্দনিকতা। চাপ সামলে দেখিয়েছে গোল বের করে আনার সক্ষমতা। তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গড়া এই স্কোয়াড এখন ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে পরিণত ইউনিট। কানাডার ফুটবল নৈপুণ্যে এমনটা মনে করছেন অভিবাসী বাংলাদেশিরা।

কানাডার প্রবাসী এম এম পারভেজ বলেন, ‘জোনাথন ডেভিড হ্যাট্রিক করছে, যে এবার ওয়ার্ল্ড কাপের দ্বিতীয় প্লেয়ার হিসেবে হ্যাট্রিক করছে। কানাডা এর আগে সকারে ওটা একটা জনপ্রিয়তা ছিল না। বর্তমানে ওয়ার্ল্ড কাপ দেখে কানাডিয়ান নেটিভ যারা আছে, তারা নিজেরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এখন সকারের প্রতি। সকার মিন্স ফুটবলের প্রতি।’

আরও পড়ুন:

মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আয়োজক দেশ হিসেবেও বেশ আলোচনায় কানাডা। নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, স্টেডিয়াম সুবিধা, টিকিটিং সিস্টেম এবং দর্শক ব্যবস্থাপনায় কুড়িয়েছে প্রশংসা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে কানাডা অত্যন্ত সংগঠিত ও পেশাদার ফুটবলের উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

কানাডার প্রবাসী ওমর ফারুক বলেন, ‘তারা আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপারে খুব কঠিন এবং খুব ফ্রেন্ডলি অলসো। পুলিশ এবং ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ভেন্যুতে যারা ভলান্টিয়ার যারা আছে, তারা অনেক সাহায্য-সহযোগিতা করতেছে।’

ঘরের মাঠ থেকে এবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় টিম কানাডা। স্থায়ীয় সময় রোববার বিকেল; বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে রাউন্ড অব থার্টি টু-এর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে তারা। একদিকে ইতিহাস ধরে রাখার চাপ, অন্যদিকে নতুন উচ্চতায় ওঠার সুযোগ। এই দুই বাস্তবতার মাঝেই মাঠে নামবে ম্যাপেল লিফরা।

এফএস