অধিকৃত পশ্চিম তীরের গুশ এতজিয়নে রিজার্ভ সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে নেতানিয়াহু এই মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের প্রশংসা করেও তিনি বলেন, ‘আমাদের আমেরিকান বন্ধুদের কাছ থেকে আমরা যে সমর্থন পেয়েছি এবং বছরের পর বছর ধরে আমি যা নিশ্চিত করেছি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আজ আমি বলছি, আমাদের নিজস্ব স্বাধীন অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা প্রয়োজন। আমাদের নিজেদের অস্ত্র নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।’
ইরান ও তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে হামলার কথা উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা তাদের কঠোর আঘাত করেছি। তবে এটি এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আগামী ৩০ বছর পর আমরা কোথায় থাকব, তা নির্ভর করবে আমাদের শক্তির ওপর। সেজন্যই আমরা এখন আরও বড় শক্তি গড়ে তুলছি।’
নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে জেরুজালেমে অস্বস্তি বাড়ছে। ইসরাইলি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তনের ফলে ইসরাইলের সামরিক কার্যক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়তে পারে। সম্প্রতি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও এক সংবাদ সম্মেলনে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, গত কয়েক মাসে ইসরাইলকে রক্ষাকারী প্রতিরক্ষা অস্ত্রের দুই-তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্র সরবরাহ ও অর্থায়ন করেছে।
টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বর্তমানে ১০ বছর মেয়াদী একটি নতুন নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো বর্তমানের ‘সাহায্য-নির্ভর’ কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে একটি পারস্পরিক কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।





