নেইমার জুনিয়র ফুটবলের এক আক্ষরিক অসমাপ্ত গল্পের নাম। যেখানে অসাধারণ প্রতিভা, নান্দনিক ড্রিবলিং আর জাদুকরী সব মুহূর্তের পাশাপাশি দুর্ভাগ্য, ইনজুরি এবং অপূর্ণতার এক বিষণ্ন আখ্যান জড়িয়ে আছে।
নেইমার মানেই যেমন সব জাদুকরী মূহুর্ত, তেমনি এর উল্টো পিঠে আছে ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় হাসপাতালের বিছানায় কাটানোর নির্মম বাস্তবতা। বার্সেলোনা থেকে সান্তোস- কখনও মেটাটার্সাল ভাঙা, গোড়ালি মচকানো ,লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া কখনও আবার কাফের চোট- তার ফর্মের ধারাবাহিকতা বারবার থমকে দিয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপে তো আরও দুর্ভাগা বাজিলের এ সুপারস্টার। গ্রুপপর্বে মরক্কো, হাইতি সব ম্যাচেই ছিলেন দর্শকের ভূমিকায়। ৩৯ বছরের লিওনেল মেসি যখন মাঠে নেমে একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে করছে কিংবা তরুণ ফুটবলার এমবাপ্পে, ভিনি, ইয়ামালদের চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সে বুঁদ হচ্ছে ফুটবল বিশ্ব- তখন গ্যালারির এককোণে বসে সৃষ্টিকর্তার কাছে নীরব প্রার্থনা নেইমারের।
অবশেষে সব আক্ষেপ মুছে ফেলে মাঠে ফেরার সময় হয়েছে। ২০২৩ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরছেন নেইমার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের দুদিন আগে দলের সঙ্গে প্রথমবার পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন করেছেন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার।
ব্রাজিলের জার্সিতে কিংবদন্তি পেলের চেয়েও বেশি গোলের রেকর্ড তার দখলে। তবে এতকিছুর মধ্যে বিশ্বকাপ ট্রফিটা তাঁর জন্য এখনও এক অপূর্ণতার গল্প। ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় এসে সেই অধরা স্বপ্ন পূরণে ছুটবেন নেইমার। সেইসঙ্গে দুই যুগের খরা কাটিয়ে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্নপূরণের অপেক্ষা কোটি ভক্তের।





