প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে হতাশার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের সামনে উজ্জ্বল ও সুন্দর ভবিষ্যৎ রয়েছে। তবে এর জন্য সবাইকে ধৈর্য ধারণ ও পরিশ্রম করতে হবে।’ এসময় তিস্তা এবং পদ্মায় পৃথক দুটি ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিদেশে আসার ক্ষেত্রে, দক্ষ শ্রমশক্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। মুক্তবাজার অর্থনীতির জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করা হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী ১ বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যারা যাবেন তাদের ব্যাসিক ল্যাংগুয়েজ শিখানোর ব্যবস্থা করবে সরকার।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে মাদকের গ্রাস থেকে ফিরিয়ে আনতে কর্মমুখী করতে কাজ করছে সরকার, দেশে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয় নিয়ে কাজ করছে সরকার।’
এসময় তিনি বলেন, ‘স্কুলের সিলেবাসে ৫টি স্পোর্টসকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সেখানে খেলা বিষয় হিসেবে থাকবে এবং শিক্ষার্থীদের কৃতকার্য হতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সামাজিক প্রেক্ষাপটে ২০ কোটি মানুষের দেশে নারীদের পিছিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই । অর্থায়নের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন করা হবে।’





