এর আগে গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে বুধবজর এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘটনার শিকার পরিবার থানায় গিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত জানায়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গফরগাঁও উপজেলার নিগুয়ারি ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামের বাসিন্দা নির্যাতনের শিকার ওই নারী (২০)। কৃষক স্বামীকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে বসবাস করেন। মঙ্গলবার রাত ১ টার দিকে ৭-৮ জনের একটি দল নারীর ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে।
দলটি অস্ত্রের মুখে নারীর স্বামীকে হাত, পা, চোখ ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে নারীকে জিম্মি করে পাশের বাড়ির উঠানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা নির্যাতন চালানোর পর নারী অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মায়ের ঘরে নিয়ে যায় দলটি। সেখানে দুজনকে জিম্মি করে ঘরে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে চলে যায়।
আরও পড়ুন
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর মা জানান, তার মেয়েকে ধর্ষণ শেষে অসুস্থ অবস্থায় ঘরে নিয়ে আসে দুর্বৃত্তরা। তারা তার ও মেয়ের গলায় দা ধরে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। পুরো দলটিতে ৮ জন ছিলো, এর মধ্যে ৩-৪ জনকে চিনতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। একজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। নারীর প্রতিবেশীরাই এ কাজ করেছে। তাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ কাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জড়িতদের ধরতে এরইমধ্যে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।’




