ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তার সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভন ডার লিয়েন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার কাঠামোটি সুনির্দিষ্ট উদ্বেগের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে এবং যতক্ষণ না দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, ততক্ষণ তা বহাল থাকবে। তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞার মূল নীতিই হলো, এটি সরানোর কথা ভাবার আগে আমাদের মাটিতে প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে হবে। নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে আচরণ পরিবর্তনের জন্য। যদি আচরণ বিশ্বাসযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়, তবেই তা তোলা সম্ভব।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যতক্ষণ পর্যন্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচির ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের অবস্থান থেকে সরবে না। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সমঝোতা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এখন এর বাস্তবায়নই হবে প্রধান অগ্রাধিকার। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিসহ কৌশলগত নৌপথগুলোতে ‘শুল্কমুক্ত’ যাতায়াতের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আন্তোনিও কোস্তা জানান, আসন্ন জি-৭ সম্মেলনে বিশ্ব অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার এবং নিরাপত্তা ও মানবিক সংকট নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাব এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ইইউ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তিকে স্বাগত জানায় এবং আশা করে এটি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে। তবে গাজার মানবিক পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দুই রাষ্ট্র সমাধানের ওপরও তিনি জোর দেন।





