অ্যানথ্রোপিক তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিদেশি নাগরিকদের ‘ক্লড ফেবল ৫’ ব্যবহার থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এই প্রোগ্রামটিকে ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সরকারি নির্দেশনার সঙ্গে সংগতি রেখে তারা সব গ্রাহকের জন্য ‘ফেবল ৫’ এবং ‘মিথোস ৫’ ডিজেবল বা নিষ্ক্রিয় করতে বাধ্য হয়েছে। অ্যানথ্রোপিকের এই ‘ক্লড ফেবল ৫’ মূলত ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনির প্রতিদ্বন্দ্বী।
মার্কিন সরকারের ধারণা, ফেবল ৫-এর সফটওয়্যার বিধিনিষেধ এড়িয়ে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি বা ‘জেলব্রেকিং’ শনাক্ত করা হয়েছে। তবে অ্যানথ্রোপিক দাবি করেছে, এই দুর্বলতাগুলো অত্যন্ত সামান্য এবং অন্যান্য পাবলিক এআই মডেলেও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসে পরীক্ষার সময় প্রতিষ্ঠানটি নিজেই ঘোষণা করেছিল যে, এই টুলটি এতটাই বুদ্ধিমান যে কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করার সক্ষমতা থাকায় এটি অবমুক্ত করা ‘বিপজ্জনক’ হতে পারে। সমালোচকরা অবশ্য একে প্রচারণার কৌশল হিসেবে দেখেছিলেন।
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিকের সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে এই প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করেছেন এবং সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ অ্যানথ্রোপিককে ‘সাপ্লাই চেইন রিস্ক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠানকে এমন তকমা দেয়া হয়েছে, যা সাধারণত শত্রুভাবাপন্ন দেশের কোম্পানির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই তকমার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটি পেন্টাগনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলার কার্যক্রম চলাকালীন সরকারি সংস্থাগুলোর এআই টুলটি ব্যবহারের ওপর আদালতের পক্ষ থেকে সাময়িক অনুমতি দেয়া হয়েছে।





