বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ীরাদের দিকে তাকালে দেখা যাবে তারা শুধু কাজের সঙ্গেই যুক্ত হন । জনগণের সঙ্গে তাদের খুব একটা সংযোগ থাকে না। এদিক থেকে ইলন মাস্ক পুরোপুরি ভিন্ন চরিত্রের। বলা যায়, চলচ্চিত্রের তারকাদের চাইতে কোনো অংশে কম জনপ্রিয় নন তিনি।
আলোচিত এই উদ্যোক্তা শুধু ইন্টারনেট সংস্কৃতির মূল চরিত্রই নয়, বিপুল সম্পদের মালিক হিসেবেও আলোচনার শীর্ষে। কেননা মাস্কের সম্পদ এখন এমন পর্যায়ে যা তাকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার মালিকে উন্নীত করেছে। এটা সম্ভব হয়েছে মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু স্পেসএক্স এর কল্যাণে।
রকেট, স্যাটেলাইট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সময় শুক্রবার প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি বা আইপিও’র মাধ্যমে রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন বিলিয়ন সংগ্রহ করেছে। আর এরপরই কাগজে-কলমে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার মাইলফলক ছুলেন ইলন মাস্ক।
আরও পড়ুন:
স্পেসএক্সের আইপিও বাজারে আসার আগে ফোর্বসের হিসাবে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৭৮০ বিলিয়ন। অন্যদিকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যালফাবেটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের সম্পদের তুলনায় যা অনেক বেশি। ফোর্বস ওয়েলথের ডেপুটি এডিটর ম্যাট ডুরোট জানান, বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির সম্পদ যেখানে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি, সেখানে মাস্কের সম্পদ তার তিন গুণেরও বেশি।
অবশ্য বর্তমানে মাস্কের সম্পদের বড় অংশই হচ্ছে এই স্পেসএক্সে। যেখানে তার অংশীদারির বাজারমূল্য প্রায় ৮৬৬ বিলিয়ন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, টেসলা ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে শুক্রবার শেয়ার লেনদেন শুরু হলে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
৫৪ বছর বয়সী মাস্ক টেসলা ও স্পেসএক্সের মাধ্যমে মাস্ক বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। পরে ২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার বা বর্তমান এক্স কেনেন তিনি। যার মধ্য দিয়ে তিনি আরও প্রভাব বিস্তার করেন।
পরে রাজনীতি, অভিবাসন, সরকারি ব্যয় ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো বিষয়ে অন্যতম প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন ইলন মাস্ক।





