বিক্ষোভকারীরা নানইউকির লাইকিপিয়া বিমানঘাঁটির কাছে জড়ো হয়ে কেন্দ্রটি স্থাপনের বিরোধিতা করেন। তাদের আশঙ্কা, কেনিয়ার মাটিতে এই সংক্রামক ব্যাধির বাহকদের নিয়ে আসা হলে স্থানীয়দের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। বিক্ষোভ দমনে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও তাজা গুলি ছোড়ে। কেনিয়া হিউম্যান রাইটস কমিশন জানিয়েছে, পুলিশ ১৯ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।
মার্কিন সরকার নানইউকিতে ৫০ শয্যার এই কেন্দ্রটি স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে, যেখানে ৩০ জন চিকিৎসাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। তবে স্থানীয় একটি এনজিওর আবেদনের প্রেক্ষিতে নাইরোবির একটি আদালত সাময়িকভাবে এই কেন্দ্র স্থাপনের কাজ স্থগিত করেছেন। আগামী ২৩ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো অবশ্য এই প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাওয়া সহায়তার বিনিময়ে কেনিয়ার এই ঋণ শোধ করা উচিত। উল্লেখ্য, পার্শ্ববর্তী দেশ উগান্ডা ও কঙ্গোতে বর্তমানে ইবোলার প্রাদুর্ভাব চলছে। তবে কেনিয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো ইবোলা রোগী শনাক্ত হয়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কঙ্গোতে এখন পর্যন্ত ৯১ জন এবং উগান্ডায় ৩ জন ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিরল বুন্দিবুগিও ভাইরাসের কারণে এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যার কোনো স্বীকৃত টিকা বা চিকিৎসা নেই।





