ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে জিতেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে যা প্রথম।
২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধের মহাকাব্য জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রোমানা আহমেদের স্মৃতিতে এখনও তরতাজা। ঘরের মাঠে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জয় পেলেও তিনি এগিয়ে রাখছেন দুই দশক আগের সেই জয়কেই।
রোমানা আহমেদ বলেন, ‘আমি প্রথমটাকে এগিয়ে রাখবো। কারণ সেসময় ফ্যাসিলিটিজ, সেসময়কার টিম আর এখনকার ফ্যাসিলিটিজ পুরোটাই ভিন্ন। তারপরও সেসময় যে কঠিন পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশ টিমটা ছিল এবং ওই সময় যেভাবে অস্ট্রেলিয়ার মতো টিমকে, ওই সময় অস্ট্রেলিয়া টিম কিন্তু ওয়ার্ল্ডের র্যাংকিংয়ে এক নম্বর ছিল, ওদের বিট করা কিন্তু খুব কঠিন ব্যাপার ছিল। তো সেক্ষেত্রে তাদের সেই সময় বিট করাটা আমার কাছে বেশি মূল্যায়ন দেবো আমি।’
আরও পড়ুন:
পেস বোলারদের বিপক্ষে বরাবরই স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেন অজি ব্যাটাররা। সেই তারাই মিরপুরে নাহিদ রানার সামনে ছিলেন অসহায়। প্রথম ওডিআইতে এই টাইগার পেসার একাই নেন চার উইকেট। নাহিদের এমন বোলিংয়ে মুগ্ধ রোমানা। অবশ্য অন্য পেসাররাও দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখছেন বলে মনে করেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।
রোমানা আহমেদ বলেন, ‘নাহিদ রানা অবশ্যই আমাদের জন্য বিশ্বয়সূচক। কারণ নাহিদা রানা শুধু এইটা একটা সিরিজ না, এইযে বিগত তিন-চারটা সিরিজে কিন্তু টানা সে একইরকম ফর্মেই আছে। দুইটা মনে হয় ফাইফারও আছে তার। তারপরে সে পাকিস্তান সিরিজে গিয়েছিল, সেখানেও কিন্তু খুব ভালো করেছে। অন্যদের ছোট করছি না, তাসকিন যেমন গতদিনে ফার্স্ট উইকেট নিয়ে কিন্তু টিম স্পিরিটটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। মানে ওভারঅল কিন্তু বাংলাদেশের পেস বোলাররাই কিন্তু ভালো কাজ করছে।’
আরও পড়ুন:
প্রথম ম্যাচ জয়ের পর বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার সুযোগ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই টাইগাররা ইতিহাস লিখবেন, এমন প্রত্যাশা রোমানার। তবে বোলিং বিভাগ নিয়ে সন্তুষ্টি থাকলেও ব্যাটিং নিয়ে কিছু কাজ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
রোমানা আহমেদ বলেন, ‘আগের থেকে উইকেটটা অনেক বেটার এবং গ্রাসি উইকেট আছে। তো ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে আরেকটু রান আশা করছি।’
এর আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ওয়ানডেতেও ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখছে টাইগাররা।



