সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা একটি অত্যন্ত চমৎকার, সুদৃঢ় এবং শক্তিশালী চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’
ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ প্রয়োগকেই বেশি কার্যকর উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাইলে খুব সহজেই সেখানে বোমা হামলা চালাতে পারি। মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহ একটানা বোমাবর্ষণ করলেই তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। কিন্তু সেই পথ বেছে নিলে (কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ) হরমুজ প্রণালি মাসের পর মাস বন্ধ থাকবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বোমা হামলা চালালে অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। কে তা চায়? আমি অন্তত তা চাই না। তাছাড়া, সামরিক হামলার চেয়ে আলোচনার টেবিলে সই হওয়া একটি লিখিত চুক্তি অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী হবে।’
ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে নৌ-অবরোধ যে অনেক বেশি শক্তিশালী হাতিয়ার, তা এরইমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত আমাদের প্রাথমিক ধাক্কা এবং পরবর্তী এ অবরোধের যৌথ প্রভাবই কাজ করেছে। বর্তমানে তাদের অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যস্ত এবং এ পরিস্থিতির কারণেই তারা চুক্তি করতে বাধ্য হচ্ছে।’





