গত বুধবার অনুষ্ঠিত দেশটির স্থানীয় নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের দল বড় ধরনের সাফল্য পাওয়ার পর এই মনোনয়ন দেয়া হলো। তবে এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি রাজধানী সিউলের মেয়র পদে বিরোধী দলের কাছে পরাজিত হয়েছে।
এবারের স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বেশ কিছু বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। দেশজুড়ে প্রায় ৫০টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালটপেপার সংকট দেখা দেয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে দেশটির নির্বাচন তদারকি সংস্থার প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন।
এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মাঝেই হানের মনোনয়নের বিষয়ে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ কাং হুন-সিক। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উদ্ভাবন এবং জটিল বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশ বর্তমানে একটি বড় কৌশলগত পরিবর্তনের মুখোমুখি। এই সময়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট হান সিয়ং-সুক’কেই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করেছেন।’
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পেতে ৫৮ বছর বয়সী হান সিয়ং-সুকের এখন পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার ৩০০ সদস্যের জাতীয় পরিষদে (পার্লামেন্ট) ক্ষমতাসীন দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে বড় কোনো নৈতিক বিতর্ক বা কেলেঙ্কারি সামনে না এলে তার অনুমোদন পাওয়া প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
পার্লামেন্টের সবুজ সংকেত পেলে হান সিয়ং-সুক হবেন দেশটির ইতিহাসের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ২০০৬ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা হান মিয়ং-সুক ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে, দেশটির বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সক খুব শিগগিরই পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। তিনি ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।




