শনিবারের রৌদ্রজ্জ্বল দিনে ফ্লোরিডার মিয়ামির লুমাস পার্কে জাগলিংয়ে মেতেছেন শিশু- কিশোরসহ নানা বয়সের মানুষ। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, কাউন্ট আস ইন নামে একটি অলাভজনক সংস্থার অধীনে মেক্সিকো, কানাডা, ব্রাজিলসহ, বিট্রেনসহ ৫০টিরও বেশি স্থানে একযোগে ১০ সেকেন্ডের ফুটবল জাগলিংয়ে মাতেন ৫১১ জন অংশগ্রহণকারী।
আর এরইমধ্যে আগেরবারের রেকর্ড ভেঙ্গে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে হোয়্যার ফুটবল লিভস শিরোনামের এই আয়োজনটি। গেলবার আয়োজনটিতে ৪৫৯ জন অংশ নিয়েছিল।
আরও পড়ুন:
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বিচারক মাইকেল এমপ্রিক বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, মিয়ামিসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ৫১১ জন অংশগ্রহণকারী একযোগে ১০ সেকেন্ড ধরে জাগলিংয়ে অংশ নিয়েছেন। যা একটি নতুন রেকর্ড। সবাইকে অভিনন্দন।
তবে আয়োজকরা বলছেন, রেকর্ড গড়ার উদ্দেশ্যে নয়, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল পেশাদার ও তৃণমূল পর্যায়ের ফুটবলের জন্য ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা। এছাড়াও, আয়োজন থেকে সংগ্রহ করা তহবিল প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মাঝে আবহাওয়াজনিত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়ক সামগ্রী কিনতে খরচ করা হবে।
এই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা এই আয়োজন থেকে অভিযোজন টুল কিটসের জন্য তহবিল সংগ্রহ করছি। আমরা লক্ষ্য করছি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্টেডিয়ামের চেয়ে পার্ক ও স্কুলে বেশি পড়ছে। আমরা সংগ্রহ করা তহবিল এসব স্থানের উন্নয়নেও ব্যয় করব।এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জলবায়ু পরিবর্তন ও এর ক্ষতিসমূহ কীভাবে খেলোয়াড়দের জীবনকে প্রভাবিত করে, তা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা জরুরি। আর সবকিছুর পেছনে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ক্ষতিগ্রস্ত মাঠ ও খোলা প্রাঙ্গণকে সহায়তা করা।
এছাড়াও, এবারের আয়োজনটি খেলাধুলার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্ববাসীকে একত্রিত করবে বলেও মনে করছেন অংশগ্রহণকারীরা।




