জেনসেন হুয়াং বলেন, ‘এই স্বয়ংক্রিয় এআই সিস্টেমগুলো প্রথাগত সফটওয়্যারের মতো শুধু আদেশ পালন করবে না; বরং স্মৃতি, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বুঝে নিজেই কাজ সম্পন্ন করবে।’ তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে তিনি বলেন, ‘এটি সত্যিই একটি নতুন শুরু। এটি এখন আর কেবল একটি যন্ত্র নয়, বরং এটি আপনার একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করবে।’
এনভিডিয়া প্রধানের মতে, ব্যক্তিগত কম্পিউটার, চালকবিহীন গাড়ি, টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম এবং রোবটের মতো প্রায় সব ডিভাইসেই এআই এজেন্ট একটি সাধারণ ফিচারে পরিণত হবে। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে প্রতিটি ডিভাইস হবে স্বয়ংক্রিয় এবং সেগুলোতে এআই এজেন্ট সিস্টেম যুক্ত থাকবে।’
তার এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যার আগের দিনই ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য এনভিডিয়া একটি নতুন ‘সুপারচিপ’ উন্মোচন করেছে। এই চিপের ফলে এখন আর ক্লাউড সিস্টেমের ওপর নির্ভর না করে লোকাল ডিভাইসে এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলো চালানো সম্ভব হবে।
প্রযুক্তি খাতে কর্মীদের পারিশ্রমিক নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়েও কথা বলেন জেনসেন হুয়াং। স্যামসাং তাদের কিছু চিপ প্রকৌশলীকে ৪ লাখ ডলার পর্যন্ত বোনাস দিবে—এমন খবরের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি কর্মীদের যত বেশি সম্ভব পারিশ্রমিক দেয়া উচিত। আমার কর্মীদের জিজ্ঞেস করে দেখুন, আমি নিজেও সেটি করার চেষ্টা করি।’
উল্লেখ্য, জেনসেন হুয়াং আগামী বৃহস্পতিবার সিউল সফর করবেন এবং শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।





