আজ (শুক্রবার, ২৯ মে) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদযাত্রার প্রথম দিন ২৪ মে সেতু দিয়ে ৩৯ হাজার ৯১৯টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয় তিন কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ১০০ টাকা। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ২২ হাজার ১১২ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৫৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৭ হাজার ৮০৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় এক কোটি ৫৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৫০ টাকা।
২৫ মে সেতু দিয়ে ৫৩ হাজার ২৪৬ টি যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ২১ হাজার ৬০ টি যানবাহন পারাপার হয়। এর বিপরীতে টোল আদায় এক কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।
২৬ মে সেতু দিয়ে ৫৬ হাজার ২৩৯ টি যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩৬ হাজার ৪২৬ টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ২১ লাখ ৪ হাজার ২০০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৯ হাজার ৮১৩টি যানবাহন পারাপার হয়। এর বিপরীতে টোল আদায় এক কোটি ৬১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫০ টাকা।
ঈদের আগের দিন ২৭ মে সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৮৮৯টি যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৯০৭ টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয় দুই কোটি ৩৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১২ হাজার ৯৮২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় এক কোটি ১১ লাখ ৬ হাজার ৯০০ টাকা।
এ দিকে ঈদযাত্রার শেষ দিনে বুধবার ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক দিয়ে তীব্র যানজটে ঘরমুখো মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। পরে ২০ ঘণ্টা পর যানবাহন স্বাভাবিক হয়। যানজট নিরসনে পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে আলাদা করে দুইটি করে বুথ দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার হয়। ফিরতি পথেও আমাদের একই প্রস্তুতি থাকবে।





