দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাঁচা চামড়ার বাজার নাটোরের চকবৈদ্যনাথ। ঈদের দিন বিকেল থেকে জেলার অভ্যন্তরীণ ছোট বড় যানবাহনে করে কাঁচা চামড়া নিয়ে আসছে মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসাগুলো। ক্রেতা বিক্রেতাদের সমাগমে জমজমাট হয়ে উঠে চামড়ার আড়তগুলো।
তবে এবার কাঁচা চামড়া বিক্রি করে লোকসানের কথা বলছে মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসাগুলো। গরুর ছোট চামড়া সর্বনিম্ন ৪০০ এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের একজন বলেন, ‘চামড়া নিয়ে এসেছি বাড়ি থেকে। ভ্যানের ভাড়া হয়েছে একটা চামড়া প্রতি ২০০ টাকা। বিক্রি করেছি আমি ১০০ টাকা। আর ১০০ টাকা ঘরের থেকে দিতে হবে আমার।’
অন্য আরেকজন বলেন, ‘যে টাকায় আমরা চামড়া কিনছি, সে টাকায় আমরা বিক্রি করতে এসে লসে পড়ে আছি।’
আরও পড়ুন:
এবছর সরকার ঢাকার বাহিরে গরু ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, খাসি চামড়া ২০ থেকে ৩০টাকা, বকরি ২২ থেকে ২৫টাকা নির্ধারণ করে। তবে সরকারের নির্ধারিত দামই তারা চামড়া ক্রয় করছেন। সেই সাথে লাম্পিস্কিন রোগে আক্রান্ত গরুর চামড়া ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বের হওয়ায়, সেগুলোর দামও কম।
তবে জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা দাবি সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কিনছে ব্যবসায়ীরা।
নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতি গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, ‘২২ থেকে ২৩ ফুট একটা চামড়া আছে, ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা হয় কাঁচা চামড়া। সেখানে ৯০০, ১হাজার, ১ হাজার ১০০ টাকাও আমরা কিনছি চামড়া। অর্থাৎ সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে কিনছি।’
এ বছর নাটোরে মোট ১২ লাখ পিস চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে গরু ৪ থেকে ৫লাখ এবং খাসি, বকরিসহ অন্যান্যে ৬ থেকে ৭ লাখ পিস। এতে চামড়া কেন্দ্রিক ৪০ থেকে ৫০কোটি টাকা ব্যবসার আশা ব্যবসায়ীদের।




