র্যাব-৮, সিপিসি-১ এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানান, দুই জেলার বৃহত্তর পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আভিযানিক দল নিয়োগ ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণের জন্য অত্যাধুনিক মেশিন স্থাপনসহ কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে র্যাব। এছাড়া কোরবানির পশু পরিবহনে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি রোধে র্যাব-৮ বদ্ধপরিকর বলে জানানো হয়েছে।
পশু হাট ছাড়াও ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, লঞ্চ ঘাট, মহাসড়ক ও ফেরিঘাটগুলোতে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে র্যাবের সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে।
যাত্রীরা যাতে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীদের খপ্পরে না পড়েন, সেজন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জোরদার করা হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট কার্যক্রম।
একই সঙ্গে ঈদের কেনাকাটা ও জামাত নির্বিঘ্ন করতে জেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান এবং ঈদগাহ ময়দানগুলোতে সাদা পোশাকে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও বাহিনীটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।





