মৌচাক থেকে আসা পাবনাগামী আফাজ মিয়া বলেন, ‘চন্দ্রা থেকে যানবাহনের ধীর গতি। টাঙ্গাইল থেকে যানজট। দেড় ঘণ্টার সড়ক আসতে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা। মহাসড়কের পৌলিতে এসেও আটকে আছি।
নারী যাত্রী খোদেজা বেগম বলেন, ‘আমি নাটোর যাবো। ঢাকার মৌচাক থেকে ধীর গতি। টাঙ্গাইলের ঘারিন্দার পর থেকে যানজট। ৯ ঘণ্টায়ও টাঙ্গাইল পার হতে পারলাম না।’
মোন্নাফ মিয়া বলেন, ‘কোনো বাসেই আসন ফাঁকা নেই। দাঁড়ানোর জায়গাও নেই। বাধ্য হয়ে তিন গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ট্রাকে যাচ্ছি। এখানেও যানজটে কষ্ট হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘রাতে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে একটু জটলা রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হবে।’
টাঙ্গাইলের মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, ‘ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে পুরো সড়কেই যানবাহনের চাপ রয়েছে। বৃষ্টির কারণে ধীর গতিতে রয়েছে। দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হবে।’




