২০২৬ বিশ্বকাপ মানেই শুধু মেসি-এমবাপ্পে-হ্যালান্ডদের লড়াই নয়। ফুটবল দুনিয়া অপেক্ষায় আছে নতুন সুপারস্টারদের জন্ম দেখারও! কেউ ড্রিবলে মাতাচ্ছেন ইউরোপ, কেউ আবার কিশোর বয়সেই কাঁপাচ্ছেন বড় বড় ক্লাবের ডিফেন্স।
আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে আলোচিত প্রতিভাদের একজন নিকো পাজ। সিরি ‘আ’ তে হয়েছেন সেরা ইমপ্যাক্টফুল মিডফিল্ডার। কোমোর হয়ে করেছেন ১২ গোল ও ৭টি এসিস্ট। রিয়াল মাদ্রিদের অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই তরুণকে ভবিষ্যতের বড় তারকা হিসেবেই দেখছেন অনেকে। ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির পাশাপাশি ভূমিকা রাখতে পারেন নিকোও।
ব্রাজিল ফুটবলে নতুন আশার নাম এন্দ্রিক। বয়স কম হলেও শক্তি, গতি আর ফিনিশিংয়ে তিনি যেন পূর্ণাঙ্গ স্ট্রাইকার। বর্তমানে খেলছেন অলিম্পিক লিওতে। ব্রাজিলের হয়ে ১৫ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল। ইউরোপে পা রাখার আগেই বিশ্বজুড়ে আলোচনায় চলে এসেছেন এই বিস্ময় বালক। সেলেসাওদের জার্সিতে বিশ্বকাপ কাঁপানোর স্বপ্ন এখন তার চোখে।
আরও পড়ুন:
ফ্রান্সের জার্সিতে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা তরুণ সেনসেশন ওলিসে। গতি, স্কিল আর গোল তৈরির অসাধারণ ক্ষমতায় এরই মধ্যে বুন্দেসলিগায় নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে এই মৌসুমে ১৫ গোলের পাশাপাশি ১৯টি গোলে অবদান রেখে আছেন লিগের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে। ২০২৬ বিশ্বকাপে হতে পারেন ফ্রান্সের অন্যতম বড় অস্ত্র।
তুরস্কের ফুটবলের পোস্টার বয় আরদা গুলার। রিয়াল মাদ্রিদের এই তরুণ মিডফিল্ডারকে এরই মধ্যে অনেকে তুলনা করছেন মেসুত ওজিলের সঙ্গে। চলতি মৌসুমে ৮ গোলের পাশাপাশি করেছেন ২০টি অ্যাসিস্ট। ট্রান্সফার মার্কেটে তার দাম ছাড়িয়েছে ১০০ মিলিয়ন ইউরো। বিশ্বকাপে আলো ছড়াতে মুখিয়ে আছেন ছোট দেশের বড় তারকা।
বিশ্বকাপ সবসময় জন্ম দেয় নতুন নায়কের। ২০২৬ এ হয়তো ফুটবল বিশ্ব দেখবে নতুন নতুন সুপারস্টারের উত্থান।





