ট্রাম্প বলেন, ‘আমার তৈরি করা স্পেস ফোর্সের মাধ্যমে ওই এলাকায় মহাকাশ থেকে নয়টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যামেরায় নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে কারোর নড়াচড়া আমাদের নজর এড়ায় না। আমরা এমনকি একজন ব্যক্তির নামও পড়তে পারি। যদি তার নাম হয় মোহাম্মদ কিছু একটা—এবং তাদের বেশির ভাগেরই নাম মোহাম্মদ, আপনি অনুমান করলে ৫০ শতাংশই সঠিক হবে—আমরা মহাকাশ থেকেই তার নেমট্যাগ পড়তে পারি।’
প্যারেন্টিং বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘দ্য বাম্প’–এর তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামগুলোর একটি। তবে একটি দেশের মানুষের নাম নিয়ে ট্রাম্পের এমন সাধারণীকরণ ও মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে আমেরিকার জন্য বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন,‘তেহরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেয়া হবে না এবং যেকোনো শান্তি চুক্তিতে এর নিশ্চয়তা থাকতে হবে।’ ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন হামলায় ইরানের সক্ষমতা এতটাই ধ্বংস হয়েছে যে তাদের কাছে এখন শুধু ‘পারমাণবিক ধুলা’ (নিউক্লিয়ার ডাস্ট) অবশিষ্ট আছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতে, এই ‘পারমাণবিক ধুলা’ বলতে মাটির নিচে সংরক্ষিত ইউরেনিয়ামকে বোঝানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেয়া অন্য এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শারীরিক গঠন ও চেহারার প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যদি হলিউডে গিয়ে চীনের কোনো নেতার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কাউকে খুঁজতেন, তবে শি জিনপিং হতেন একদম মানানসই। তার শারীরিক গঠনও চমৎকার—তিনি বেশ দীর্ঘকায়।’
ট্রাম্প জানান, শি জিনপিং ইরান যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার ক্ষেত্রে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। বিশেষ করে চীন ইরানের তেলের প্রধান ক্রেতা হওয়ায় শি জিনপিং হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রতিবাদে ইরান গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল।





