গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পদ্মার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ করে ‘১১ দলীয় ঐক্য’।
সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম, যারা বিগত ১৬-১৭ বছর ধরে স্বৈরাচার সরকারের দ্বারা জুলুমের শিকার হয়েছে, তাদের অন্তত একটা শিক্ষা হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম, একটা অভ্যুত্থানের পরে হাজারের অধিক মানুষের জীবন দেওয়ার পরে যারা নতুন করে এই বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসলো, তিন মাস যেতে না যেতেই তারা প্রমাণ করে দিল যে, যত নির্যাতন হোক, যত জুলুম হোক, ক্ষমতার চেয়ে তাদের কাছে কোনোদিন দেশ বড় হতে পারে না। প্রত্যেকটা ধাপে ধাপে তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা শুরু করেছে। তারা এদেশে ৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় গিয়েছে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছে ৭০ শতাংশ মানুষ দেশের পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান একটা বিষয় ভুলে গিয়েছেন। একটা ধ্রুব সত্য মনে করিয়ে দেই—এই বাংলাদেশে বিএনপি যে এবার ক্ষমতায় গিয়েছে, মানুষ তারেক রহমানের মুখ দেখে এবার ভোট দেয় নাই। মানুষ ভোট দিয়েছে মেজর জিয়াউর রহমানের ধানের শীষ দেখে। মানুষ ভোট দিয়েছে খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব দেখে। তারেক রহমান যদি এ ভুল পুনরায় করেন, যদি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেন, যদি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করেন, এ বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।’
সমাবেশে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিডি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমেদ (বীর বিক্রম), জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক রফিকুল ইসলাম খান। মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল সমাবেশ পরিচালনা করেন।





