তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শহিদ জিয়া কিশোর কুঁড়ি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। এই প্রতিযোগিতায় যারা ভালো করবে তাদেরকে বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামের নাম বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের নামে স্টেডিয়ামের নামকরণসহ ও সকল স্টেডিয়ামের সংস্কার করে আন্তর্জাতিক মানের খেলা নিয়ে এসে রাজশাহীর সমৃদ্ধি আরও বৃদ্ধি করা হবে।’
আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ির সমাপনী অনুষ্ঠানে আটটি ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়েছিলো মোট ৬ হাজার ১০০ শিক্ষার্থী। ধাপে ধাপে কাবাডি,ফুটবল, দাবা, মার্শাল আর্ট, ব্যাডমিন্টন, সাঁতারে অংশ নেয় নানা বয়সী কিশোর কিশোরীরা। এরপর বিজয়ীদেরসহ ৩০৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয় এই সমাপনী আয়োজনে। বিজয়ীরা রাজশাহী অঞ্চল ও সারা দেশের সেরা প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, বিভাগীয় কমিশনার,জেলা প্রশাসকসহ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।





