ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি নাফটোগাজ-এর প্রধান নির্বাহী সের্হি কোরেতস্কি জানান, রুশ বাহিনী পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলের গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে। হামলায় নাফটোগাজ-এর তিন কর্মী এবং জরুরি সেবা বিভাগের দুইজন উদ্ধারকর্মী নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ৩৭ জন আহত হয়েছেন। কোরেতস্কি বলেন, ‘ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের এই হামলায় স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।’
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লাইমেনকো জানান, পোলতাভা অঞ্চলে প্রথম হামলার পর আগুন নেভাতে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছালে রাশিয়া সেখানে দ্বিতীয়বার হামলা (ডাবল ট্যাপ) চালায়। এতেই দুই উদ্ধারকর্মী প্রাণ হারান এবং ২৩ জন আহত হন। ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর দাবি, সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাশিয়া ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৬৪টি ড্রোন ছুড়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ ড্রোন ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪টি ড্রোন ১৪টি স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম হয়।
আরও পড়ুন:
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গত সোমবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির ওপর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষে ৮ ও ৯ মে দুই দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন। এই ঘোষণার পর এমন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভললোদিমির জেলেনস্কি।
তিনি মস্কোর এই পদক্ষেপকে ‘নৈষ্ঠিকতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, একদিকে প্রতিদিন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে, অন্যদিকে প্রচারণার উদ্দেশ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো চরম ভণ্ডামি। জেলেনস্কিও পাল্টা হিসেবে ৫ মে রাত থেকে যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দেন, তবে এর সময়সীমা কতদিন হবে তা উল্লেখ করেননি।





