তবে সাত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় নাম নেই অ্যানথ্রোপিক-এর। সামরিক ক্ষেত্রে এআই টুল ব্যবহারের ‘গার্ডরেইল’ বা সুরক্ষাকবচ নিয়ে পেন্টাগনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে পেন্টাগন এ স্টার্টআপটিকে ‘সাপ্লাই-চেইন রিস্ক’ বা সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে এবং পেন্টাগনসহ এর ঠিকাদারদের জন্য এ টুল ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাতটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের ‘সিক্রেট’ এবং ‘টপ-সিক্রেট’ নেটওয়ার্ক এনভায়রনমেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এগুলো হলো স্পেসএক্স, ওপেনএআই, গুগল, এনভিডিয়া, রিফ্লেকশন, মাইক্রোসফট ও অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস।
উল্লেখ্য যে, স্বল্প পরিচিত রিফ্লেকশন এআই গত অক্টোবরে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পেছনে রয়েছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম ‘১৭৮৯ ক্যাপিটাল’, যার অন্যতম পার্টনার ও বিনিয়োগকারী ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র।
গত মার্চ মাসে পেন্টাগন যখন অ্যানথ্রোপিককে ‘সাপ্লাই-চেইন রিস্ক’ ঘোষণা করে, তখন থেকেই দুপক্ষের মধ্যে আইনি লড়াই শুরু হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিফ টেকনোলজি অফিসার এমিল মাইকেল সিএনবিসিকে বলেন, ‘অ্যানথ্রোপিক এখনও ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। বিশেষ করে তাদের ‘‘মিথোস’’ মডেলটির উন্নত সাইবার সক্ষমতা মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি হ্যাকারদের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অ্যানথ্রোপিকের সঙ্গে এ টানাপোড়নের পর থেকে সামরিক বাহিনী নতুন এআই স্টার্টআপগুলোর প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে। আগে যেখানে গোপন নেটওয়ার্কে কোনো প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করতে ১৮ মাস বা তার বেশি সময় লাগত, এখন তা তিন মাসেরও কম সময়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে।





