আজ (রোববার, ৩ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জের দিগু বাবুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে যেই পটল বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ টকা আজ সেইটা পাইকারি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি কুমড়া ৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি ২৫ টাকা, পুঁইশাক কেজি প্রতি পাইকারি ১০ টাকা বেড়ে ২০ টাকা। বেগুন ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা। পেঁপে ৩০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা। সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে কাঁচা মরিচের দাম। ৩০ টাকা কেজির মরিচ আজকের বাজারে বিক্রি হচ্ছে পাইকারি ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে সবজির আবাদ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে করে বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচও বেড়েছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে সবজির দামে।
আরও পড়ুন:
তাদের মতে, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি সবজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। এই বাড়তি দামই খুচরা বাজারে আরও বেশি হয়ে ভোক্তাদের ওপর চাপ তৈরি করছে।
একজন পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। আগের মতো বাজারে মাল আসছে না। তার ওপর গাড়ি ভাড়াও বেড়েছে। সব মিলিয়ে আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতারাও একই কথা বলছেন। তাদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়িয়েছেন।
একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, ‘আমরা বেশি দামে কিনে কম দামে তো বিক্রি করতে পারি না। পাইকারি বাজারেই দাম বেশি, তাই আমরাও একটু বেশি দামে বিক্রি করছি।’
হঠাৎ করে সবজির এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অনেকেই বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য কিনতেই এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।





