ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় আইআরজিসি নেভি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দক্ষিণ উপকূলরেখা সংলগ্ন প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করা হবে। এর মাধ্যমে উপকূলীয় জলপথের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে তেহরান।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো এসব জলপথকে ‘ইরানের মহৎ জনগণের জন্য জীবিকা ও শক্তির উৎস’ হিসেবে গড়ে তোলা এবং এই অঞ্চলের ‘নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি’ নিশ্চিত করা। তবে নতুন এই নিয়মাবলি ঠিক কী ধরনের, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল সীমিত করেছিল ইরান। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয় এবং ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই দেশের সরাসরি বৈঠক হয়।
বৈঠক থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসলেও পাকিস্তানের অনুরোধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ান। তবে ১৩ এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই উত্তেজনার মধ্যেই এখন উপকূলজুড়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর ঘোষণা দিল ইরান।





