যাত্রীর অপেক্ষায় নয়, নদীর পাড়ে বাঁধা স্পিডবোটগুলো জ্বালানির অভাবে চলছে না। এক সময় যেখানে ছিল চালক ও যাত্রীদের হাঁকডাক, সেখানে এখন শুধুই নিস্তব্ধতা।
পাবনার কাজিরহাট এলাকায় যমুনা নদীপাড়ের স্পিডবোট ঘাটের চিত্র এখন এমন। পাবনা-ঢাকা যাতায়াতের সহজ পথ কাজিরহাট-আরিচা নৌপথ। যেখানে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই যমুনা নদী পাড়ি দিয়ে সাড়ে তিন ঘণ্টায় পাবনা থেকে রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত করা যায়।
আরও পড়ুন:
কিন্তু জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে ঘাটে নোঙর করে আছে অধিকাংশ দ্রুতগতির নৌযান। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এ পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।
চালকদের মধ্যে একজন বলেন, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেকার অবস্থায় বসে থেকে চলে যাই। তেল পাই না।’
অন্য একজন বলেন, ‘ড্রাইভাররা মনে করেন, অলস দিন কাটাচ্ছে। বোট মালিকরা তো হতাশ—যে ঈদের আগেও আমরা ইনকাম করতে পারলাম না, ঈদের পরেও আমাদের ইনকাম নাই।’
আরও পড়ুন:
একজন স্পিডবোট চালক বলেন, ‘সরকারের প্রতি আকুল আবেদন এটাই যে, যেন তেলটা ঠিক হয়ে যায় এবং আমরা যেন যাতায়াতটা সহজভাবে করতে পারি।’
এ নিয়ে এরইমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছেন ইউএনও, আর মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
পাবনার জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদেরকে কালকে ইউএনও একটি চিঠি দিয়েছেন। সেটি আমরা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবো এবং মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি আমরা অবহিত করবো। সেখান থেকে নিশ্চয়ই তারা বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে এই সমস্যার সংকট হয়তো কেটে যাবে।’
জ্বালানি সংকট কাটিয়ে নতুন দামে নির্ধারিত স্পিডবোট ভাড়া নির্ধারণের দাবি চালক ও যাত্রীদের।





