তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে দেশগুলোর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ইরানি দূত বলেন, ‘ওই দেশগুলো তাদের মাটিতে থাকা সামরিক ঘাঁটিগুলো ‘‘মার্কিন-ইসরাইলি শত্রু’’দের ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে অংশ নিয়েছে। এসব ঘাঁটি থেকেই ইরানের ওপর বিমান হামলা চালানো হয়েছে।’
নিজেদের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়ে এই কূটনীতিক দাবি করেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন মেনেই করা হয়েছে। ইরাভানি বলেন, ‘আগ্রাসনের জবাবে জাতিসংঘ সনদে বর্ণিত আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার ব্যবহার করেই ইরান পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে।’
ইরানি ভূখণ্ডে হামলায় উসকানি বা সহায়তা দানকারী যেকোনো দেশকে আন্তর্জাতিক জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে সতর্ক করেন ইরাভানি। তিনি আরও বলেন, ‘যেসব দেশ এই আগ্রাসনে সরাসরি অংশ নিয়েছে অথবা ইরানের ওপর হামলার জন্য নিজেদের ঘাঁটি, আকাশসীমা, জলসীমা কিংবা মাটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে, তারা সমানভাবে দায়ী এবং তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।’
বর্তমান সংঘাতের জন্য তেহরান দায়ী নয় উল্লেখ করে এবং নিজেদের সামরিক অবস্থানকে কেবল ‘প্রতিক্রিয়ামূলক’ হিসেবে দাবি করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘ইরান এই সংঘাত বা যুদ্ধের সূচনাকারী নয়।’





